র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হারুন অর রশিদ ও তার স্ত্রী ফাতেহা পারভীন লুনার নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাব ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে।
র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হারুন অর রশিদ ও তার স্ত্রী ফাতেহা পারভীন লুনার নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাব ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ ও তার পরিবারের নামে থাকা ৪১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ৩৭ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৪ টাকা রয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের নামে থাকা ২৮টি ব্যাংক হিসাব ও দুইটি বিও একাউন্ট অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, তার স্ত্রী ও মেয়ের নামে থাকা ৫৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তার স্ত্রী পারভীন চৌধুরী এবং ছেলে রাশেদুল ইসলামের নামে থাকা ৮১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার নামে থাকা ১৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক তিন গভর্নর ও ছয় ডেপুটি গভর্নরের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুরোধে বুধবার (১৩ আগস্ট) দেশের সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হকের চারটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
দেশে ২০১০ সালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সুবিধা দিতে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দিয়েছিল সরকার। এগুলোকে নো-ফ্রিলস অ্যাকাউন্ট (এনএফএ) বলা হয়।